কম্বোডিয়ার বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে উদ্ধার হওয়া আরো ৭৮ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। এ নিয়ে গত চার দিনে সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে ২২১ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন।

কম্বোডিয়ার বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে উদ্ধার হওয়া আরো ৭৮ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। এ নিয়ে গত চার দিনে সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে ২২১ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন।
ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফরমের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান জানান, সাইবার স্ক্যাম নিয়ে সবার সচেতনতা জরুরি। এটি মানবপাচারের ভয়াবহ এক ধরন।
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে ১৫ হাজার ৯২১ জন কর্মী চাকরি নিয়ে কম্বোডিয়া যান। ফেরত আসা বাংলাদেশিরা জানিয়েছেন, হাজার হাজার কর্মী চাকরি না পেয়ে সেখানে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
অথচ বিদেশে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সবাইকে কম্বোডিয়ায় পাঠানো হয়েছিল।
ফেরত আসা ভুক্তভোগীদের একজন জানান, তাকে দালাল বলেছিলেন কম্বোডিয়াতে সরাসরি কোম্পানিতে চাকরি হবে। সাড়ে পাচ লাখ টাকা নিয়ে জনশক্তি ব্যুরোর ছাড়পত্র দিয়ে কম্বোডিয়া পাঠায়। কিন্তু কম্বোডিয়া বিমানবন্দর থেকে তাকে এক মাসের ভিজিট ভিসায় প্রবেশের অনুমতি দেন। এরপর আর ভিসা দেয়নি দালালরা। তিনি আরো জানান, সেখানে কোনো কোম্পানিই খুঁজে পায়নি। সেখানে থাকা রিক্রুটিং এজেন্সির প্রতিনিধিরা টাকার বিনিময়ে তাকে স্ক্যাম কম্পাউন্ডে বিক্রি করে দেন।
ব্র্যাক জানিয়েছে, কম্পিউটার, কলসেন্টার অপারেটরসহ বিভিন্ন পদে আকর্ষণীয় বেতনের প্রলোভন দিয়ে নিয়োগের লক্ষ্যে বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে (ভুয়া ওয়েবসাইট, ইমেইল, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ইত্যাদি) প্রচার চলে। এরপর তাদের সুকৌশলে স্ক্যাম সেন্টারের ভেতরে নিয়ে অস্ত্রের মুখে জোরপূর্বক জিম্মি করে স্ক্যামের কাজে নিয়োজিত করা হয়। কাজেই থাইল্যান্ড, মায়ানমার, লাওস, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ায় যাওয়ার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
মোবাইল: +৮৮০১৭১১৯৯৭৯৫৭
ইমেইল: sahabibcomilla@gmail.com
24newstv.tv