অনলাইন ডেস্ক:
রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের কাঁটাবনের আল বারাকা টাওয়ারে আইনজীবীর চেম্বারে আগুন লেগে আব্দুস সালাম (২০) ও জনি (২৪) নামে দুই কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় চেম্বারে থাকই বিভিন্ন বই ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়ে গেছে।
আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত চেম্বারটি ছিল অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রয়াত উপদেষ্টা হাসান আরিফের। তার মৃত্যুর পর ছেলে ব্যারিস্টার মোয়াজ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আল নোমান চেম্বারটি পরিচালনা করতেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) দিবাগত রাত ১টা ৫ মিনিটে ভবনটিতে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। পরে তাদের ছয়টি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ৩টা ৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
আগুনে নিহত দুজন ওই চেম্বারেই কাজ করতেন। ঘটনার সময় তারা চেম্বারের ভেতরে ছিলেন। আগুন লাগার পর প্রাণ বাঁচাতে তারা একটি বাথরুমে আশ্রয় নেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর সেখান থেকে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক রাত সাড়ে ৩টার দিকে আব্দুস সালামকে মৃত ঘোষণা করেন।
অপর কর্মচারী জনিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
নিউমার্কেট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহিন জানান, নিহত দুজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বলা যাবে।’
নিহত আব্দুস সালাম বগুড়ার কাহালু উপজেলার বড় ভাদাহার গ্রামের মোহাম্মদ সেলিম ও রেহেনা বিবির ছেলে। তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আল নোমানের ক্লার্ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
জনি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বাবুন্দিয়া গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে। তিনি সাবেক উপদেষ্টা হাসান আরিফের ছেলে ব্যারিস্টার মোয়াজের ক্লার্ক হিসেবে কাজ করতেন।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থলে থাকা ভবনটির এক আইনজীবীর গানম্যান সরোয়ার বলেন, ‘ভেতরে থাকা দুজনই হয়তো বাঁচার জন্য বাথরুমে গিয়েছিলেন। ধোঁয়ায় অক্সিজেনের ঘাটতি হওয়ায় শ্বাসরোধে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘চেম্বারে থাকা লাখ লাখ টাকার মূল্যবান বই ও কাগজপত্র পুড়ে গেছে।’
মোবাইল: +৮৮০১৭১১৯৯৭৯৫৭
ইমেইল: sahabibcomilla@gmail.com
24newstv.tv