
প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬
বলিউডের তারকা কাপল দম্পতি সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল ফুকেতের সৈকতে দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকী উদযাপনের পর শহরে ফিরেছেন। সোমবার (২৯ জুন) রাতে বাবা বর্ষীয়ান অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহা, মা এবং স্বামী জাহিরের সঙ্গে নৈশভোজে গিয়েছিলেন ‘দাবাং গার্ল’খ্যাত অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা। মুম্বাইয়ের রেস্তোরাঁয় তাদের দেখে স্বভাবসিদ্ধ ভঙিমায় এগিয়ে এসেছেন পাপারাজ্জিরা। লাগাতার ক্যামেরার ফ্ল্যাশে এ সময় মেজাজ হারিয়ে ফেলেন শত্রুঘ্নকন্যা।
মায়ানগরীর প্রতিটি কোনেই সেলিব্রিটি, সে কারণে পাপারাজ্জিদের উপস্থিতি সবসময় লক্ষ্য করা যায়। রেস্তোরাঁ থেকে বিমানবন্দর বাদ যায় না কোনো জায়গাতেই। তাই গভীর রাত হোক কিংবা কাকভোর— লেন্সবন্দি হয় সেলিব্রিটিদের প্রতিটি পদক্ষেপ।
মুম্বাইয়ে নৈশভোজ সেরে বের হওয়ার সময় রেস্তোরাঁর বাইরে উপস্থিত পাপারাজ্জিরা তাদের ঘিরে ধরে ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে থাকেন। এ ঘটনায় অত্যন্ত বিরক্ত হন সোনাক্ষী সিনহা। প্রথম কয়েক সেকেন্ড হাসিমুখে তাকালেও মুহূর্তে ধৈর্যচ্যুতি ঘটে তার। করজোড়ে বলে ওঠেন— ‘ব্যাস! গাইজ, থ্যাংক ইউ, গুড নাইট!’
এরপরও ছবি ও ভিডিও তোলা থেকে বিরত হননি পাপারাজ্জিরা। এবার খানিকটা সুর চড়িয়ে সোনাক্ষী বলেন, গাইজ হো গ্যায়া, হো গ্যায়া। ব্যাস। থ্যাংক ইউ। এরপর গাড়িতে উঠে বাড়ির পথে রওনা দেন তারা। সামাজিক মাধ্যমে এ ভিডিও ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়ে পড়ে।
অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা পাপারাজ্জিদের আবদার রক্ষা করেন। তাদের নির্দেশ অনুযায়ী হাসিমুখে পোজও দেন। পারিবারিক সময় কাটানোর মাঝে পাপারাজ্জিদের বাড়বাড়ন্ত পছন্দ করছিলেন না বলেই মনে করেছে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের একাংশ। সম্ভবত সে কারণেই নিষেধ সত্ত্বেও ক্যামেরার ফ্ল্যাশের ঝলকানিতে বিরক্ত হয়েছিলেন জাহির ঘরনি।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে সালমান খানের বিপরীতে ‘দাবাং’ ছবিতে রুপালি পর্দায় পা রাখেন সোনাক্ষী সিনহা। দ্রুতই তিনি সবার মন জয় করে নেন।
এরপর ‘রাউডি রাঠোর’ (২০১২)ও ‘দাবাং ২’ (২০১২)-এর মতো সিনেমাও বাণিজ্যিকভাবে সফল হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ‘লুটেরা’ (২০১৩) সিনেমায় তার অভিনয় সমালোচকদের মন জিতে নেয়।
২০২৪ সালের ২৩ জুন দুই পরিবারকে সাক্ষী রেখে আইনি মতে বিয়ে করেন সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল।
মোবাইল: +৮৮০১৭১১৯৯৭৯৫৭
ইমেইল: sahabibcomilla@gmail.com
24newstv.tv