
রায়হান আরো যোগ করেন, ‘জার্সি কেনার পেছনে কাজ করে এক গভীর আবেগ। সেদিন এক অটোরিকশাচালক আমাদের দোকানে এসে প্রায় ১,২০০ টাকা দিয়ে প্লেয়ার-এডিশনের একটি জার্সি কিনলেন। জানি না, এই টাকা তিনি দিনে আয় করতে পারেন কি না।’
আল মামুন নামে ৫৫ বছর বয়সী এক বিক্রেতা জার্সি বিক্রি করতে করতে বলেন, ‘আমি ম্যারাডোনার খেলা দেখেছি এবং তখন থেকেই আর্জেন্টিনার সমর্থক হয়ে আছি।’
ফিফা র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১৮১তম হলেও, প্রতি ৪ বছর পর পর পুরো দেশ ফুটবল জ্বরে কাঁপতে থাকে। টুর্নামেন্টের আবেগ এতটাই তীব্র যে, দেশের সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী এই বিশ্বকাপ চলাকালীন ফুটবল-সংক্রান্ত বিভিন্ন ঘটনায় অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম তিন দেশে হচ্ছে। সঙ্গে ৪৮ দলের বিশ্বকাপও প্রথম। আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর সঙ্গে বাংলাদেশের সময় অনেকটা দিন-রাত পার্থক্য। তবে গভীর রাতে ম্যাচ শুরু হলেও ভক্ত-সমর্থকদের চোখ ঠিকই বোকাবাক্সে থাকে।
আর্জেন্টিনার খেলা দেখার জন্য যেমন রাত জেগে অপেক্ষায় থাকেন ৩৭ বছর বয়সী জাকিয়া মুসান্না। তিনি বলেন, ‘এই জার্সি পরি কারণ এটা আমাদের মনে এই অনুভূতি দেয় আমরাও দলেরই একটা অংশ, একাত্মতার একটা অনুভূতি।’
বাবার সাথে বসে ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্মৃতিচারণা করেন মুসান্না। রবিবারের ফাইনালও ঠিক একই জায়গায় বসে দেখার পরিকল্পনা তার। তিনি বলেন, ‘আমরা একই জায়গায় যাওয়ার পরিকল্পনা করছি, আগের জয়ের স্মৃতিগুলো রোমন্থন করব এবং আরেকটি বিজয় উদযাপন করব।’ জায়গার নামটি অবশ্য জানাননি মুসান্না।
মোবাইল: +৮৮০১৭১১৯৯৭৯৫৭
ইমেইল: sahabibcomilla@gmail.com
24newstv.tv