
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের আশা, অতীতের তিক্ততা ভুলে ভারত বাংলাদেশে এসে খেলবে। আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) মিরপুরের সুইমিং কমপ্লেক্সে সাংবাদিকদের আমিনুল হক বলেন, ‘বর্তমান সরকার ক্রীড়া কূটনীতিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। ক্রিকেট আমাদের একটি মর্যাদার জায়গা। ক্রিকেট যেহেতু আমাদের বিশ্ব ক্রিকেটে অত্যন্ত সুদৃঢ় একটি অবস্থান আছে, সে ক্ষেত্রে বিগত সময়ের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে, বিশ্বকাপ ক্রিকেটকে কেন্দ্র করে একটি টানাপড়েন সৃষ্টি হয়েছে।
আমিনুল আরো বলেন, পেছনের কথা ভুলে সামনে এগোতে হবে, ‘বিগত সময়ের ছোট্ট একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে একটা টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছিল, আমি মনে করি সেটিকে কাটিয়ে উঠে আমরা সুন্দরভাবে পার্শ্ববর্তী সব দেশের সঙ্গেই আমাদের যে ক্রীড়া কূটনীতি, আমাদের যে যোগাযোগ, সবকিছুই স্বাভাবিকভাবে চলমান থাকবে।’
বিসিবির ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৮ আগস্ট বাংলাদেশে আসার কথা রোহিত-কোহলি-বুমরাদের। সব ঠিক থাকলে মিরপুরে তিনটি ওয়ানডে হবে ১, ৩ ও ৬ সেপ্টেম্বর। চট্টগ্রামে তিটি টি-টোয়েন্টি হবে ৯, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর।
বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে বিসিসিআই সভাপতি মিঠুন মানহাসের সম্পর্ক বেশ দারুণ। তবে বাংলাদেশে দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত মিঠুনের বোর্ড একা নিতে পারবে না। নরেন্দ্র মোদি সরকারের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় থাকতে হবে তাদের।
ভারতের একটি সফর যেকোনো দেশের ক্রিকেট অর্থনীতির জন্য মহাগুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই মনে করেন, বোর্ডের এক বছরের সিরিজে যতটা না আয় হয়, ভারতের বিপক্ষে এক সিরিজেই এর চেয়ে দ্বিগুণ আয় করা যায়।
ভারতের বিশাল বাজারের সঙ্গে সিরিজের পৃষ্ঠপোষক, টিকিট, স্টেডিয়ামের বাণিজ্যিক স্বত্ব এবং অন্য অনেক কিছু বিক্রি করে প্রচুর আয় করতে পারে আয়োজকরা।
মোবাইল: +৮৮০১৭১১৯৯৭৯৫৭
ইমেইল: sahabibcomilla@gmail.com
24newstv.tv