
তবে এসব শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কবে কার্যকর হবে এবং এর আওয়ায় কোন কোন দেশকে লক্ষ্য করা হবে, তা জানাননি বেসেন্ট। তবে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ৬০ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে। তার ভাষ্য, নতুন নির্দেশনা মেনে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে সময় দেওয়া হবে।
ওই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার আগে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নিলে তারা সামরিক জবাব দেওয়ার পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল রপ্তানি আরো কমিয়ে দিতে পারে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে মাদানিজাদেহ বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবেই, শত্রুরা আমাদের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক সন্ত্রাসী হামলা চালাতে চায়। কিন্তু আমাদেরও নিজস্ব হাতিয়ার আছে এবং আমরা জানি কিভাবে এ খেলা খেলতে হয়। আমাদের প্রতিরক্ষা এখন আর শুধু আত্মরক্ষামূলক নয়; শত্রুদের হামলার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।’
এ অবস্থায় চীন ও রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের এসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরানের অবকাঠামো হুমকির মুখে পড়লে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ ও জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোতে বড় ধরনের আঘাত হানা হবে। প্রেস টিভি এ কথা জানিয়েছে।
সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা গেছে, জনপ্রিয়তা হারানো ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে হিমশিম খাচ্ছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এ প্রশাসন আরো অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের ওপর নির্ভর করছে বলে মনে হচ্ছে। কারণ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই পক্ষ বড় ধরনের হামলা চালায়নি। তারপরও কূটনৈতিক সমাধানের দিকে যুদ্ধ এগোচ্ছে, এমন লক্ষণও খুব কম।
এরই মধ্যে পারস্য উপসাগরে হরমুজ প্রণালি হয়ে চলাচল করা জাহাজে ইরানের হামলা বন্ধে নতুন পথ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি নিজেদের মিত্রদের মাধ্যমে লোহিত সাগরেও ইরানের হামলা বন্ধের চেষ্টা চলছে।
মোবাইল: +৮৮০১৭১১৯৯৭৯৫৭
ইমেইল: sahabibcomilla@gmail.com
24newstv.tv