
বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বেতন পাওয়া ম্যানেজার সিমোন ইনজাঘী। সৌদি আরবের ক্লাব আল-হিলালে বাংলাদেশি মুদ্রায় বার্ষিক ৩৭১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা (২২.৩৪ মিলিয়ন পাউন্ড) পান ইতালিয়ান কোচ।
ডিয়েগো সিমিওনে
তালিকার দুইয়ে আছেন অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের কোচ ডিয়েগো সিমিওনে। ২০১১ সাল থেকে স্প্যানিশ ক্লাবের ডাগআউট সামলানো আর্জেন্টাইন কোচ বছরে ৩৩৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা (২০.১৯ মিলিয়ন পাউন্ড) পান।
মিকেল আর্তেতা
২২ বছর পর প্রিমিয়ার লিগ জিতেছে আর্সেনাল। লিগ জয়ে মূল অবদান খেলোয়াড়দের থাকলেও নেপথ্যের নায়ক ছিলেন মিকেল আর্তেতা। সেই আর্তেতা বছরে ২৪৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকা (১৫ মিলিয়ন পাউন্ড) বেতন পান। ২০২৭ সালে তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে। লিগ জয়ের পুরস্কার হিসেবে নিশ্চয়ই এবার বেতনের অঙ্কও বড় হবে।
এনজো মারেস্কার উত্তরসূরি হিসেবে চেলসির ডাগআউটে দাঁড়িয়েছেন জাবি আলানসো। চেলসির সঙ্গে সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ কোচের বছরে চুক্তি হয়েছে ১২৯ কোটি ২৭ লাখ টাকা (১১.৫ মিলিয়ন পাউন্ড)। আলোনসোর সমান বেতন নটিংহ্যাম ফরেস্টের ম্যানেজার অলিভার গ্লাজনারের। বছরে ১২৯ কোটি ২৭ লাখ টাকা (১১.৫ মিলিয়ন পাউন্ড) বেতন পান অস্ট্রিয়ান কোচ। তার চুক্তির মেয়াদ ২০২৯ সাল পর্যন্ত।
জোসে মরিনহো ও লুইস এনরিকে
দ্বিতীয় মেয়াদে রিয়াল মাদ্রিদে দায়িত্ব নিয়েছেন জোসে মরিনহো। মোটা অঙ্কের বেতনে লস ব্ল্যাংকোসদের সঙ্গে চুক্তি করেছেন পর্তুগিজ কোচ। বছরে ১৭১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা পান তিনি। তিন বছরের চুক্তিতে রিয়ালের দায়িত্ব নেওয়া মরিনহোর সমান বেতন পান লুইস এনরিকেও। সর্বশেষ দুই মৌসুমে পিএসজিকে চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতানো কোচ নতুন করে ফরাসি ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি করেছেন। ২০৩০ সালে পর্যন্ত তার মেয়াদ।
এনজ পোস্তেকোগ্লু
ইউরোপীয় ফুটবল ছেড়ে সৌদি প্রো লিগের কোচ হয়েছেন এনজ পোস্তেকোগ্লু। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ক্লাব আল নাসরের। সৌদি ক্লাবটি থেকে বছরে ১৬৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকা (১০.০৫ মিলিয়ন পাউন্ড) বেতন পান।
এনজো মারেস্কা
চেলসির দায়িত্ব ছেড়ে এ মৌসুম থেকে ম্যানচেস্টার সিটির ডাগআউটে দাঁড়িয়েছেন এনজো মারেস্ক। সিটির সঙ্গে বছরে ১৬৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা (১০ মিলিয়ন পাউন্ড) চুক্তি হয়েছে মারেস্কার।
মোবাইল: +৮৮০১৭১১৯৯৭৯৫৭
ইমেইল: sahabibcomilla@gmail.com
24newstv.tv