
পুলিশ জানিয়েছে, তারা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. রুহুল আমিন আজ আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
আবেদনে আরো বলা হয়, গত ১১ সেপ্টেম্বর মামলার ২৪ আসামিকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন আদালত। রিমান্ডে থাকা আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজকের নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) এই মামলায় আরো নয়জনকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১১ সেপ্টেম্বর দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গুলশান থানাধীন এলাকায় আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সমবেত হন। সরকারবিরোধী কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা স্লোগান ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য সেখানে সমাবেশ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ সময় ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে পুলিশের দিকে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়লে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ককটেল জব্দ করার কথাও এজাহারে বলা হয়েছে।
এ ঘটনায় গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরো ৮০ থেকে ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মোবাইল: +৮৮০১৭১১৯৯৭৯৫৭
ইমেইল: sahabibcomilla@gmail.com
24newstv.tv