
একটি ব্যাংকের মুদ্রাবাজার বিভাগের এক লেনদেনকারী বলেন, রুপির দরপতন ঠেকাতে আরবিআইয়ের অবস্থান ‘একেবারেই স্পষ্ট’।
সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বাড়ার পর দেশটির ট্রেজারি বন্ডের সুদ দ্রুত বেড়ে যায়। একই সময়ে চলতি মাসে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন ধারণায় বাজি ধরার পরিমাণও বাড়ান লেনদেনকারীরা।তবে পরে পরিস্থিতি বদলে যায়। বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ঝুঁকি এড়িয়ে চলার প্রবণতা বাড়ায় বন্ডের সুদ কমেছে। বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান মর্গান স্ট্যানলিও জানিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারী ও স্বল্পমেয়াদি লেনদেনকারীদের চাহিদা বাড়ায় বন্ডের সুদ কমেছে।
অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নভিত্তিক প্রতিষ্ঠান পেপারস্টোনের গবেষণা বিভাগের প্রধান ক্রিস ওয়েস্টন বলেন, ‘এই পরিবর্তনটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বাড়ার পরও যদি ট্রেজারি বন্ডের সুদ কমে যায়, তাহলে বোঝা যায়, বিনিয়োগকারীরা ক্রমেই উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছেন।’
তিনি আরো বলেন, মূল্যস্ফীতি দীর্ঘদিন বেশি থাকা, জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়তে থাকা এবং দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ সুদের হার বজায় থাকার প্রভাব নিয়ে বিনিয়োগকারীরা চিন্তিত। বিশেষ করে এমন অর্থনীতিতে এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের আয় ও আর্থিক অবস্থার মধ্যে আগে থেকেই বড় ব্যবধান রয়েছে।
মোবাইল: +৮৮০১৭১১৯৯৭৯৫৭
ইমেইল: sahabibcomilla@gmail.com
24newstv.tv