রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকারের ৩ পদক্ষেপ : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীর জলাবদ্ধতার সমস্যা নিরসনে সরকার স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষপ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৬ জুন) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের অষ্টম দিন সংসদ সদস‌্য মো. আবুল কালামের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এসব কথা জানান।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “স্বল্পমেয়াদি কার্যক্রমের আওতায় যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, সেগুলো হলো— নর্দমা, বক্স-কালভার্ট ও খালগুলো হতে পলি-বর্জ্য অপসারণ করা হচ্ছে। ভারী বর্ষণের ফলে জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকা হতে পোর্টেবল পাম্পের মাধ্যমে বৃষ্টির পানি অপসারণ করা হচ্ছে। বিদ্যমান পাম্প স্টেশনের মাধ্যমে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে।

পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যাচপিট ও লোহার গ্রেটিংস স্থাপন করা হচ্ছে। জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ওয়ার্ডভিত্তিক এমার্জেন্সি রেসপন্সটিম গঠন ও জলাবদ্ধতা নিরসনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পানি প্রবাহের বাধা (ব্লকেজ) নিরসন করা হচ্ছে।
“দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রমের আওতায় গৃহীত পরিকল্পনাগুলো হলো— জিয়া সরণী খাল, কাজলা খাল ও মৃধাবাড়ি খালসহ অন্যান্য খাল (প্রায় ৫০ কি.মি.) উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

নবসংযুক্ত এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সড়ক উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ওয়ার্ডে (অঞ্চল-০১ হতে ০৫) জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় বৃষ্টির পানি দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিষ্কাশনের লক্ষ্যে অধিক সংখ্যক আউটলেট নির্মাণসহ পাম্প স্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিদ্যমান ড্রেনেজ ব্যবস্থার সক্ষমতা যাচাই করে প্রবাহ ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কারের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ইউটিলিটি (বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, ইন্টারনেট ইত্যাদি) ডাক্ট নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম টেকসই ও যুগপোযোগী করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
inside-post
আরো দেখুন