রংপুরে ৪ খুনের নেপথ্যে পূর্বপরিকল্পনা ছিল কি না খতিয়ে দেখছে ডিবি

রংপুরে ৪ খুনের নেপথ্যে পূর্বপরিকল্পনা ছিল কি না খতিয়ে দেখছে ডিবি
এর আগে মঙ্গলবারও কারাগার গেটে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে তিন ঘণ্টা করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আসামিদের দেওয়া বক্তব্যের পাশাপাশি ফরেনসিক প্রতিবেদন, বিভিন্ন আলামত, মোবাইল ফোনের তথ্য ও ঘটনার আগে-পরে তাদের যোগাযোগের বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
ডিবির কর্মকর্তারা জানান, প্রায় ৮০ ঘণ্টার মধ্যে দুই আসামির মধ্যে ৮০ বার ফোনে যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। এত অল্প সময়ে এতবার যোগাযোগের বিষয়টি স্বাভাবিক মনে না হওয়ায় হত্যাকাণ্ডটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে যেতে চাইছে না পুলিশ।
গত ২২ আগস্ট রাতে নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকার একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ভোলা (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) এবং ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মের (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার তোফায়েল আহমেদ বলেন, এটি একটি লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড। মামলাটি ডিটেক্ট করা পুলিশের নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব। এ জন্য তদন্তের প্রতিটি বিষয় চুলচেরা বিশ্লেষণ করে দেখা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আসামিদের বক্তব্য, ফরেনসিক প্রতিবেদন, বিভিন্ন আলামত এবং তদন্তে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এসব তথ্য পরস্পরের সঙ্গে মিলিয়ে হত্যাকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ চিত্র বের করার চেষ্টা চলছে।
