ভর্তুকি ৬০০ কোটি টাকা কমানোর লক্ষ্য টিসিবির

ভর্তুকি ৬০০ কোটি টাকা কমানোর লক্ষ্য টিসিবির
টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পণ্য কেনার খরচ, ব্যাংকঋণের সুদ ও পরিচালন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে আয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়লে মোট ভর্তুকির প্রয়োজনও বাড়তে পারে।
আয় বাড়াতে সাবান, ডিটারজেন্ট ও লবণ বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে বাজারে এনেছে টিসিবি। এসব পণ্য কেনা দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে ২৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা মুনাফা করেছে সংস্থাটি।
পরিবহন ও পণ্য ওঠানো-নামানোর খরচ কমাতে গত সেপ্টেম্বর থেকে আঞ্চলিক গুদাম থেকে সরাসরি পণ্য সরবরাহ শুরু হয়েছে। একই ধরনের জরিপের পুনরাবৃত্তি বন্ধ করে বছরে ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের পরিকল্পনাও রয়েছে। বর্তমানে জরিপ ও সংশ্লিষ্ট কাজে বছরে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা ব্যয় হয়।
অন্যদিকে বর্তমানে অতিরিক্ত পণ্যসহ টিসিবির কার্যক্রমের আওতায় প্রতি মাসে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ পণ্য কিনছেন। চলতি অর্থবছরে এ সংখ্যা ৭০ থেকে ৮০ লাখে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। আগামী অর্থবছরে উপকারভোগীর সংখ্যা এক কোটি করার আশাও প্রকাশ করেছেন চেয়ারম্যান।
ফয়সল আজাদ জানান, বিদ্যমান ভর্তুকির পণ্য আগের দামেই বিক্রি হবে। নতুন বাণিজ্যিক পণ্য কেনা উপকারভোগীদের জন্য ঐচ্ছিক; কাউকে সেটি কিনতে বাধ্য করা হবে না। তার আশা, ব্যয় কমানো ও আয় বাড়ানোর উদ্যোগের মাধ্যমে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরে টিসিবিকে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করা সম্ভব হবে।
