চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরীর হাত থেকে সম্মাননা পেলেন ডিবির টিম লিডার সৈয়দ ফারুক

চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরীর হাত থেকে সম্মাননা পেলেন ডিবির টিম লিডার সৈয়দ ফারুক

কুমিল্লা প্রতিনিধি :

inside-post

কুমিল্লা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও মাদকবিরোধী অভিযানে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জুলাই মাসের শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে সম্মাননা ও পুরস্কার অর্জন করেছেন ডিবি পুলিশের সেকেন্ড অফিসার ও টিম লিডার সৈয়দ ফারুক।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী-এর কাছ থেকে এ সম্মাননা গ্রহণ করেন তিনি।
দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠা, মাদকবিরোধী অভিযানে সক্রিয়তা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কারকে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা জেলায় দায়িত্ব পালন করে আসা সৈয়দ ফারুক সহকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছেও একজন কর্মঠ ও দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত—এমনটাই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
একজন পুলিশ কর্মকর্তার জন্য দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি শুধু একটি পুরস্কার নয়; এটি তাঁর পেশাগত জীবনে নতুন উদ্যম, আত্মবিশ্বাস ও দায়িত্ববোধ বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে মাদকবিরোধী অভিযানের মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজে মাঠপর্যায়ে কাজ করা কর্মকর্তাদের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের এমন স্বীকৃতি ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজের অনুপ্রেরণা জোগায়।
ব্যক্তিজীবনেও সৈয়দ ফারুক একজন সফল ও সুখী মানুষ হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ কর্মজীবনের পাশাপাশি তিনি পারিবারিক জীবনও সুন্দরভাবে পরিচালনা করে আসছেন। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। সন্তানদের উচ্চশিক্ষা ও প্রতিষ্ঠার বিষয়েও তিনি গর্বিত।
পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি জানতে চাইলে ডিবি পুলিশের সেকেন্ড অফিসার ও টিম লিডার সৈয়দ ফারুক বলেন,“ডিআইজি স্যারের কাছ থেকে এই পুরস্কার পেয়ে সত্যিই ভালো লেগেছে। এই সম্মান আমার কাজের প্রতি দায়িত্ববোধ ও আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। পুরস্কার পাওয়ার পর মনে হচ্ছে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও মাদকবিরোধী কার্যক্রমে আরও বেশি গতি নিয়ে কাজ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “একজন পুলিশ সদস্যের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো জনগণের আস্থা অর্জন করা। মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে আমাদের আরও আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। এই পুরস্কারকে আমি ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দায়িত্ব পালনের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছি।”
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মাঠপর্যায়ে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তাদের কাজের মূল্যায়ন ও পুরস্কৃত করার মাধ্যমে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার হবে। একই সঙ্গে একজন কর্মকর্তার ভালো কাজের স্বীকৃতি অন্য পুলিশ সদস্যদেরও দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করবে।
সৈয়দ ফারুকের এই অর্জন কুমিল্লা জেলা পুলিশের জন্য যেমন সম্মানের, তেমনি মাদকবিরোধী অভিযানে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের জন্যও এটি একটি ইতিবাচক

আরো দেখুন