জভেরেভের জয়ের দিনে বিদায় নিলেন তিন আমেরিকান তারকা

ইউএস ওপেন
জভেরেভের জয়ের দিনে বিদায় নিলেন তিন আমেরিকান তারকা

তাবিলোকে ৬-২, ৭-৬(২), ৬-২ সেটে পরাজিত করেন কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যান এই জার্মান টেনিস রাজা। দ্রুত সময়ে তুলে নেওয়া জয়টি জভেরেভের জন্য বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে, যিনি আগের রাউন্ডগুলোতে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন।
চতুর্থ রাউন্ডে জভেরেভের প্রতিপক্ষ ইতালির লুসিয়ানো দারদেরি।
ম্যাচ শেষে স্বস্তি প্রকাশ করে জভেরেভ বলেন, ‘আজকের পারফরম্যান্স আগের দুই দিনের তুলনায় অবশ্যই অনেক ভালো ছিল। বিশেষ করে বেসলাইন থেকে আমি অনেক উন্নতি করেছি।’
জভেরেভ নিজের জায়গা ধরে রাখলেও, আমেরিকার টেনিস ভক্তদের জন্য দিনটি ছিল বেশ হতাশাজনক।
নবম বাছাই ফ্রিটজ প্রথম দুই সেট জিতে ম্যাচটি সহজেই শেষ করার পথে ছিলেন। কিন্তু আর্জেন্টিনার ফ্রান্সিসকো সেরুন্দোলো অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩-৬, ৪-৬, ৬-৩, ৬-৪, ৬-৪ গেমে জয় ছিনিয়ে নেন। ২০২৪ সালের রানার্সআপ ফ্রিটজের চার বছরের মধ্যে এটাই ইউএস ওপেনে সবচেয়ে দ্রুত বিদায়।
২০১৭ সালের রানার্সআপ ম্যাডিসন কিজও বিদায় নিয়েছেন চীনের ঝেং কিনওয়েনের সঙ্গে হেরে।
গত বছর ইউএস ওপেনের রানার্সআপ আমান্ডা আনিসিমোভাও এবার আর এগোতে পারেননি। আনাস্তাসিয়া পোটাপোভার বিপক্ষে ৬-২, ৭-৫ গেমে হেরে তৃতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়েছেন তিনি।
আরেক আমেরিকান মাইকেল ঝেংও হার মেনেছেন ফরাসি আর্থার গিয়ার বিপক্ষে। পাঁচ সেটের ম্যাচে ৭-৬(৭), ৩-৬, ৪-৬, ৬-৩, ৬-২ গেমে জিতে চতুর্থ রাউন্ডে উঠেছেন গিয়া।
দিনের শেষটা অবশ্য ঘরের দর্শকদের জন্য স্বস্তির হয়েছে। চেক প্রজাতন্ত্রের ইয়াকুব মেনশিককে ৬-৩, ১-৬, ৬-৭(২), ৬-৩, ৬-৪ গেমে হারিয়ে চতুর্থ রাউন্ডে উঠেছেন মার্কিন তরুণ তারকা লার্নার টিয়েন।
নারী এককে কঠিন লড়াই পেরিয়ে শেষ ষোলোতে উঠেছেন দুইবারের ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন নাওমি ওসাকা। বেলজিয়ামের এলিস মার্টেন্সকে ৬-৩, ৩-৬, ৭-৫ গেমে হারিয়েছেন তিনি।
শেষ ষোলোতে ওসাকার প্রতিপক্ষ দ্বিতীয় বাছাই এলেনা রাইবাকিনা। কাজাখ তারকা ইউলিয়া স্টারোদুবৎসেভাকে ৭-৬(৬), ৬-৩ গেমে হারিয়ে পরের রাউন্ডে উথেছেন তিনি। এগিয়ে গেছেন।
নারীদের এককে এগিয়ে গেছেন ২০২২ সালের চ্যাম্পিয়ন ইগা শিয়নটেকও। ম্যারি বুজকোভাকে ৭-৬(৩), ৭-৬(৩) গেমে হারিয়েছেন তিনি। ফ্রেঞ্চ ওপেন চ্যাম্পিয়ন মিরা আন্দ্রেভাও নিকোলা বার্তুনকোভাকে ৬-২, ৭-৬(৫) গেমে হারিয়ে চতুর্থ রাউন্ডের টিকিট পেয়েছেন।